মৌলিক সংকটে জর্জরিত আলুটিলার ১৫০ পরিবার
পানির জন্য জীবন মরণ সংগ্রাম
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৭-০৯-২০২৬ ০২:৪২:১৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৭-০৯-২০২৬ ০২:৫৬:৫০ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
খাগড়াছড়ির অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র আলুটিলা। সবুজ পাহাড়, রহস্যময় সুড়ঙ্গ আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে প্রতিদিনই এখানে ভিড় করেন দেশ-বিদেশের পর্যটকরা। পর্যটনকেন্দ্র ঘিরে গড়ে উঠেছে নানা স্থাপনা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পর্যটনসুবিধা।
তবে এই চাকচিক্যের বিপরীত চিত্র দেখা যায় পর্যটনকেন্দ্রের ঠিক বিপরীতে থাকা আলুটিলা পর্যটন পাড়া ও পুনর্বাসন এলাকায়। সেখানে বসবাসরত প্রায় ১৫০ পরিবারের জীবন এখনো নানা মৌলিক সংকটে জর্জরিত। বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার, সড়ক যোগাযোগ ও পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পাড়ার বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পর্যটন পাড়া এবং পুনর্বাসন এলাকার তিনটি পাড়ায় পাঁচ শতাধিক মানুষের বসবাস। পাহাড়ি এই জনবসতিতে অধিকাংশ পরিবার নিম্নআয়ের। একসময় জুমচাষ ছিল তাদের জীবিকার প্রধান অবলম্বন। কিন্তু জুমের ফলন কমে যাওয়া, চাষের সুযোগ সংকুচিত হওয়া ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে এখন অনেকেই দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল। পর্যটনকেন্দ্রকে ঘিরে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হলেও এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দার জীবনমান এখনো পিছিয়ে রয়েছে।
এ এলাকার বাসিন্দাদের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো খাবার ও ব্যবহারের পানির সংকট। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা ঝরনা ও বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে অনেকে দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করেন। তবে বর্ষা শেষ হলেই দেখা দেয় চরম দুর্ভোগ। তখন খাবার পানির জন্য কয়েকশ মিটার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত যেতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।
পাহাড়ের নিচে ছড়ার মধ্যে কুয়া খুঁড়ে পানি সংগ্রহ করতে হয়। তিনটি পাড়ার ছড়ার মধ্যে দুইটি কুয়া রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির একমাত্র ভরসা দুইটি কুয়া। পানির জন্য ভোররাতেই সিরিয়াল ধরতে হয় বলে জানান তারা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহ করা যায় না। এ ছাড়া কুয়ার পানিতে কখনো কখনো কেচোসহ বিভিন্ন ধরনের ময়লা পরে থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দা মানিক কুসুম ত্রিপুরা বলেন, বর্ষা মৌসুমে কাছের পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝরনা থেকে খাবার ও ব্যবহারের পানি পাওয়া যায়। কিন্তু বর্ষা শেষ হলে কষ্টের শেষ থাকে না। তখন অন্তত দুই কিলোমিটার দূর থেকে খাবার পানি আনতে হয়।
তিনি বলেন, পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের দিনের উল্লেখযোগ্য সময় ব্যয় করতে হয়। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্থানীয় বাসিন্দাদের পানির সংকট দূর করতে খাগড়াছড়ি সেনাবাহিনীর রিজিয়ন থেকে একটি ১০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাহাড়ের নিচের একটি পুকুর থেকে পানি তুলে ট্যাংকে সংরক্ষণ করা হতো। তবে সেই পানি শুধু ব্যবহারিক কাজে ব্যবহারের উপযোগী ছিল। বর্তমানে ট্যাংকটিও অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
এতে পূণর্বাসন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসা শিক্ষার্থীসহ এলাকার বাসিন্দারা পানির সংকটে পড়ছেন। দূরদূরান্ত থেকে হেঁটে বিদ্যালয়ে আসা শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পানি না থাকায় তাদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা উর্মি ত্রিপুরা বলেন, এলাকায় বিশুদ্ধ পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দূরদূরান্ত থেকে ছেলে-মেয়েরা হেঁটে আসে। বিদ্যালয়ে এসেও তারা পানির সংকটে পড়ে। পানির ট্যাংকটি চালু থাকলে অন্তত ব্যবহারের পানির কিছুটা ব্যবস্থা হতো। কিন্তু এখন সেটিও অকেজো।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পানির স্থায়ী সমাধানের জন্য গভীর নলকূপ, পানির সংরক্ষণব্যবস্থা অথবা পাহাড়ি ঝরনার পানি সংরক্ষণ ও পরিশোধনের উদ্যোগ প্রয়োজন। তবে দীর্ঘদিনেও কার্যকর কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
পানির পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের সংকটও প্রকট। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫০ পরিবারের মধ্যে মাত্র ২০ থেকে ২৫টি পরিবারের টিনসেট শৌচাগার রয়েছে। বাকি পরিবারগুলোর শৌচাগারের অবস্থা নাজুক। অনেক পরিবারকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হয়।
পানির সংকটের কারণে শৌচাগার ব্যবহার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে। এতে পরিবেশদূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্কদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও কষ্টকর।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পর্যটনকেন্দ্রের পাশে বসবাস করলেও তাদের বসতিতে মৌলিক নাগরিক সুবিধা এখনো পর্যাপ্ত নয়। স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হলে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একসময় এই এলাকার অধিকাংশ বাড়ি ছিল বাঁশের বেড়া, ছনের ছাউনি ও মাচাং কাঠামোর। সময়ের সঙ্গে এসব ঘরের পরিবর্তে মাটির তৈরি ঘর ও টিনের চালের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। অনেক পরিবারের ঘরবাড়ির অবকাঠামোগত পরিবর্তন এলেও জীবনযাত্রার মৌলিক সংকট দূর হয়নি।
বিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা রয়েছে অধিকাংশ বাড়িতে। তবে এখনো বেশ কয়েকটি বাড়িতে বিদ্যুতের পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় রাতে কুপি বাতি জ্বালাতে হয়। অন্ধকার দূর করতে এসব পরিবারের সদস্যদের কুপির ওপর নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বিদ্যুৎ-সুবিধা কিছুটা বাড়লেও সব বাড়িতে সমানভাবে তা পৌঁছায়নি। দুর্গম ও ভেতরের এলাকাগুলোর কয়েকটি বাড়িতে এখনো আধুনিক আলোর ব্যবস্থা নেই।
আলুটিলা পর্যটন পাড়ার অভ্যন্তরে পাকা সড়ক নেই। কিছু এলাকায় ইট সলিং সড়ক থাকলেও বেশ কয়েকটি পথ কাঁচা। বর্ষা মৌসুমে এসব পথে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। বৃষ্টির পানি ও কাদায় রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের চলাচলে ভোগান্তি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা চন্দ্রপল ত্রিপুরা বলেন, গ্রামে কোনো পাকা সড়ক নেই। কিছু এলাকায় ইট সলিং রাস্তা রয়েছে। তবে এখনো অনেক কাঁচা সড়ক আছে। বর্ষা মৌসুমে এসব পথে চলাচল করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। ভেতরের অনেক বাড়িতে এখনো কুপি বাতি ব্যবহার করা হয়।
তিনি বলেন, পর্যটনকেন্দ্রের পাশে বসবাস করলেও গ্রামের ভেতরের মানুষের জীবনযাত্রায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। সড়ক যোগাযোগ উন্নত হলে শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণ করা সহজ হতো।
আলুটিলা পুনর্বাসন এলাকার বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ আগে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। পাহাড়ের ঢালে জুমচাষ করে উৎপাদিত ফসল দিয়ে পরিবারের খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতেন তারা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে জুমচাষের ফলন কমে যাওয়া এবং চাষের নানা সীমাবদ্ধতার কারণে আগের মতো আয় করতে পারছেন না।
এখন অধিকাংশ মানুষ দৈনিক মজুরিভিত্তিক কাজে যুক্ত। কেউ নির্মাণশ্রমিক, কেউ কৃষিশ্রমিক, আবার কেউ বিভিন্ন মৌসুমি কাজে যুক্ত হয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। নিয়মিত কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় অনেক পরিবারকে অনিশ্চিত আয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয় কার্বারি সূর্য কিরণ ত্রিপুরা বলেন, আলুটিলা পুনর্বাসন এলাকার তিনটি পাড়ায় প্রায় ১৫০ পরিবারের বসবাস। জনসংখ্যা পাঁচ শতাধিক। অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র। পর্যটনকেন্দ্রকে ঘিরে কিছু কর্মসংস্থান হলেও বেশিরভাগ মানুষ পিছিয়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, আগে জুমচাষ করে মানুষ চলতে পারলেও এখন জুমের ফলন ভালো হয় না। ফলে অধিকাংশ মানুষ দিনমজুরি করেন। পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশে বসবাস করলেও এলাকার মানুষের জীবনমান পর্যটনকেন্দ্রের চাকচিক্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রকে ঘিরে স্থানীয় কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যটনকেন্দ্রে বিভিন্ন পদে কয়েকজন বাসিন্দা চাকরি করেন। এর মধ্যে পর্যটনকেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে ব্যবসায় জড়িত রয়েছেন অনেকে। পাশাপাশি সড়কের পাশে কয়েকটি দোকান পরিচালনা করেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী।
ডাব, জুমে উৎপাদিত ফসল, বিভিন্ন মৌসুমি ফল ও অন্যান্য পণ্য বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন কয়েকজন। পর্যটকদের আগমন তাদের আয়ের একটি উৎস হলেও সারা বছর একই ধরনের আয় থাকে না। পর্যটন মৌসুম, পর্যটকের সংখ্যা ও আবহাওয়ার ওপর ব্যবসা অনেকাংশে নির্ভরশীল।
স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য চন্দ্র কিরণ ত্রিপুরা জানান, তিনি প্রায় ৫৫ বছর ধরে পর্যটন পাড়ায় বসবাস করছেন। ১৯৯৫ সালে আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রে চাকরি শুরু করেন। পর্যটনকেন্দ্রটি সরকারি উদ্যোগে চালু হওয়ার সময় থেকেই তিনি এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
তিনি বলেন, আলুটিলার বটগাছ ও সুড়ঙ্গকে কেন্দ্র করে পর্যটন স্পটটি গড়ে উঠেছে। একসময় বটগাছের নিচ থেকে খাগড়াছড়ি শহর পরিষ্কার দেখা যেত। ধীরে ধীরে এটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কিন্তু পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশের মানুষের জীবনমান এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
চন্দ্র কিরণ ত্রিপুরা আরও বলেন, এলাকায় স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নেই, পানির সংকট রয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়নের পাশাপাশি আশপাশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন বিভাগের উদ্যোগে ১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে জুমিয়া পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ৪০টি পরিবারকে এখানে পুনর্বাসন করা হয়। পরবর্তী ১৯৮৫-৮৬ অর্থবছরে আরও ৩৩টি পরিবার এবং ১৯৯২-৯৩ অর্থবছরে ১৫টি পরিবার পুনর্বাসিত হয়। এসব পরিবার থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে প্রায় ১৫০ পরিবার এখানে বসবাস করছে।
দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করলেও এলাকাটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজনের তুলনায় কম বলে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়নের পাশাপাশি পুনর্বাসন এলাকার বাসিন্দাদের জন্য পানি, স্যানিটেশন, সড়ক ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রে ঘুরতে আসা পর্যটকদের চোখে ধরা পড়ে পাহাড়ের সৌন্দর্য, সবুজ প্রকৃতি ও আধুনিক পর্যটনসুবিধা। কিন্তু কেন্দ্রটির পাশেই রয়েছে এমন একটি জনবসতি, যেখানে অনেক পরিবার এখনো নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় কার্বারি সূর্য কিরণ ত্রিপুরা বলেন, পর্যটনে ঘুরতে আসা মানুষ মনে করেন, পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশের মানুষও হয়তো পর্যটনকেন্দ্রের মতোই ঝাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন করেন। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এলাকার অধিকাংশ মানুষ এখনো নানা সমস্যায় বসবাস করছেন।
তিনি বলেন, পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়নের সুফল স্থানীয় মানুষের জীবনেও পৌঁছানো প্রয়োজন। পানি ও স্যানিটেশনের মতো মৌলিক সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরাপদ খাবার পানির স্থায়ী ব্যবস্থা, অকেজো পানির ট্যাংক সচল করা, স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণ, অভ্যন্তরীণ সড়ক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির দাবি জানিয়েছেন।
তাদের প্রত্যাশা, আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে পর্যটন পাড়া ও পুনর্বাসন এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। পর্যটনের আলো যেন শুধু কেন্দ্রের ভেতরেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং এর আশপাশের জনবসতিতেও পৌঁছে যায় এমন উদ্যোগ চান স্থানীয় বাসিন্দারা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স